https://www.somagom.com/wp-content/uploads/2019/10/র‍্যাম.jpg

র‍্যাম কি ? র‍্যামের ইতিহাস । র‍্যামের প্রকারভেদ, এর কাজ কি ? কোন কোম্পানির র‍্যাম ভালো? র‍্যামের বাজার মুল্য / দাম কতো ? প্রিয় পাঠক আপনার মাথায় যদি এই সকল প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তাহলে আপনার জন্য আজকের আর্টিকেলটি।

লেখা জুড়ে কথা হবে র‍্যামে নিয়ে বিস্তারিত। তাই এদিক ওদিক মনোযোগ বাদ দিয়ে ধীরে ধীরে পড়া শুরু করুন।

র‍্যাম কি ? What Is RAM ?

ইংরেজি র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি যার সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে র‍্যাম। র‍্যাম হচ্ছে ক্ষণ স্থায়ি মেমরি যা কিনা আপনার ডিভাইসে থাকা সকল ফোল্ডারে এক্সেস নিতে পারে। এটি কম্পিউটারের সব থেকে ফাস্ট মেমরি ।

ধরুন আপনি একটি অফিসে বসে আছেন ।অফিসের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সেলফে বিভিন্ন ফাইল রাখা আছে। কিন্তু আপনার কাজ করতে হয় আপনার টেবলে অর্থাৎ সকল ফাইল প্রসেস হয় আপনার টেবিলে; এখানে আপনার অফিসের সেলফ হচ্ছে স্টোরেজ আর আপনার টেবিল হচ্ছে র‍্যাম।

র‍্যাম হচ্ছে ভোলাটাইল তাই এতে কোন তথ্য পার্মানেন্ট থাকে না; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ যতো সময় আছে ততো সময় এটি কাজ করে; আর বিদ্যুৎ যাওয়ার সাথে সাথে এর কার্যক্রম শেষ হয়ে যায় ।

https://www.somagom.com/wp-content/uploads/2019/10/ram.jpg

র‍্যামের ইতিহাস

আজকের এই Ram একদিনে আসে নি। কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে আজ র‍্যাম; শুরুর দিকে দ্রুত লেখা যায় এমন একটি র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি চৌম্বকীয় কোর যা ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সালের দিকে তৈরি হয়।

সে সময়ে কম্পিউটারগুলোতে  এটির ব্যবহার করা হয়েছিল; তবে এর আগে কম্পিউটার গুলোতে রিলে, ডিলে লাইন, ডিলে মেমরি অথবা বিভিন্ন বায়ুশূন্য টিউব ব্যবহার করা হতো।

র‍্যামের প্রকারভেদ

আধুনিক র‍্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১) স্ট্যাটিক র‍্যাম ২) ডাইনামিক র‍্যাম। তবে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে উভয় র‍্যামের কাজই শেষ হয়ে যায়।

আপনি জেনে খুশি হবেন যে বর্তমানে নন-ভোলাটাইল র‍্যাম নিয়ে কাজ চলছে। যা কিনা বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য জমা রাখতে সক্ষম হবে।

কোন কোম্পানির র‍্যাম ভালো হবে ?

আমরা যারা ডেস্কটপ কম্পিউটার বানিয়ে নিতে চাই তাদের মধ্যে এই প্রশ্নটি কাজ করে; আবার অনেক সময় আমরা র‍্যাম বাড়াতে বা পরিবর্তন করতে চাই তাদের মাথায়ও এই প্রশ্ন কাজ করে।

আসলে আপনি যদি Ram আপগ্রেড করতে চান তাহলে আপনি যদি যে ব্রান্ডের ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ  ব্যবহার করে সেই ব্রান্ডের র‍্যাম নেওয়া উত্তম হবে।

বাংলাদেশের বাজারে এডাটা, স্যামসাং, কিংস্টোন, র‍্যামেস্ট ( Ramsta ), লেভেন, Corsair, কিংস্পেস, Lucid, Hynix এর র‍্যাম বেশ পরিচিত।

র‍্যামের মুল্য / দাম

বিভিন্ন কারনে র‍্যামের মুল্য ওঠা-নামা করে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এর দাম পরিবর্তন হতে পারে তাই কেনার আগে একটু খোঁজ খবর নিয়ে নেন।

  • দেশের বাজারে ২ জিবি র‍্যামের মুল্যঃ ৬০০-১২০০ টাকা ।
  • ৪ জিবির মুল্যঃ ১৫০০-২২০০ টাকা ।
  • ৮ জিবি র‍্যামের মুল্য দামঃ ২৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকা।
  • ১৬ জিবি ৬০০০ থেকে ১১০০ টাকা।

র‍্যামের ক্লক স্পীড এর উপর দাম নির্ভর করে। যেমন ৮০০ মেগাহার্জ; ১০০০ মেগাহার্জ, ১৪০০ মেগাহার্জ ;১৬০০ মেগাহার্জ। আর মেগাহারজ যত বেশি হবে র‍্যামের দামও ততো বেশি হবে।

কম্পিউটার পরিস্কার রাখার জন্য কয়েকটি গেজেট 

প্রিয় পাঠক, বাংলা ভাষায় প্রোডাক্ট রিভিউ, টেক আপডেট ও টেক টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন আপনাদের প্রিয় সমাগম ডট কম।— ভালোবাসা অবিরাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *